সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ইন্তেকাল করেছেন। তিনি বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সংসদ সদস্য ও বিএনপির নেতা মাহমুদুল হাসানের মৃত্যুর বিষয়টি জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি বাদ জোহর টাঙ্গাইলের শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাহমুদুল হাসানের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে সমাহিত করা হবে বলে জানা গেছে। মাহমুদুল হাসান ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনের বেশিরভাগ সময় তিনি টাঙ্গাইলের উন্নয়ন ও সমাজের কল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান সাধারণ মানুষের কাছে তাকে একজন অভিভাবক হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে।
রাজনৈতিক জীবনে মাহমুদুল হাসান বেশ কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে তিনি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে কাজ করেন। ১৯৮৮ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন এবং ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন। সর্বশেষ ২০১২ সালে তিনি উপ-নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
প্রয়াত এই প্রবীণ নেতা দলের সদস্য ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালসহ বিভিন্ন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাঁর অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও দেশবাসীর প্রতি গভীর দোয়া ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন তারা।





