সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩

৪৭ বছর পর বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে ১৯৭৭ সালে মোহামেডানের হয়ে কালা গফুর, আশিক আলি ও মোহাম্মদ

হাবিবের ঢাকা লিগে খেলার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি ফুটবলারদের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল,

১৯৭৯ সালে আমির বক্সের অসুস্থতার পর তাতে দীর্ঘ ৪৭ বছরের এক বিরতি পড়ে।

তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার সার্ক কোটার অধীনে পুনরায় পাকিস্তানি

ফুটবলারদের পদচারণা ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলে। যদিও লিগের প্রথম পর্বে দক্ষিণ

এশিয়ার অন্যান্য দেশের ফুটবলাররা অংশ নিয়েছিলেন, তবে মধ্যবর্তী দলবদলে নবাগত

পিডব্লুডি পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের গোলরক্ষক উসমান আলী এবং জাতীয় দলের অভিজ্ঞ

মিডফিল্ডার আলী উজাইর মাহমুদকে নিশ্চিত করে চমক সৃষ্টি করেছে।

এদিকে ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমের খান জানিয়েছেন যে ক্লাবটির হয়ে আগে খেলা

নেপালি ফুটবলার অঞ্জন বিস্তা ও সুনীল শ্রেষ্ঠাই পুনরায় ফেরার ইচ্ছা পোষণ করায় তাদের

দলে পাকিস্তানি খেলোয়াড় আসার সম্ভাবনা বর্তমানে খুবই কম। অন্যদিকে অন্যান্য

ক্লাবগুলোও তাদের সার্ক কোটা ও বিদেশি খেলোয়াড় তালিকায় পরিবর্তন আনছে, যেখানে পুলিশ

এফসি ভুটানের শেরুপ দর্জিকে এবং ফর্টিস এফসি একই দেশের লিগ সেরা খেলোয়াড় দাওয়া

শেরিংকে চুক্তিবদ্ধ করেছে। বিদেশি খেলোয়াড় পরিবর্তনের ধারায় রহমতগঞ্জ ও আরামবাগও

নতুন স্ট্রাইকারদের নাম বাফুফেতে জমা দিয়েছে। তবে ৩১ জানুয়ারি দলবদলের সময়সীমা শেষ

হওয়ার কথা থাকলেও ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের কারণে লিগের দ্বিতীয় পর্বের সূচি

নিয়ে একপ্রকার অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, যার ফলে মোহামেডান ও ব্রাদার্সের মতো

ক্লাবগুলো তাদের নিয়মিত অনুশীলন কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রেখেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন