ফুটবল বিশ্বের ট্রান্সফার বাজারে খেলোয়াড়দের মূল্য সর্বদা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ দামের একাদশের মধ্যে আর্লিং হালান্ড ও লামিন ইয়ামালের যৌথ মূল্য প্রায় ৫১০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশের ভাষায় এক যোগে ৫ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকা। এই দামের কারণে তারা এখনও বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম। নতুন এই তালিকার মোট মূল্য ধরা হয়েছে ১.৪২ বিলিয়ন ইউরো। এই বিপুল অঙ্কের মধ্যে বড় অংশটি দখল করে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড এবং বার্সেলোনার তরুণ স্প্যানিশ উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল। এই তালিকা তৈরিতে ধরা হয়েছে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, বর্তমান বাজারচাহিদা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ।
ট্রান্সফার মার্কেটের এই জরিপে জানা যায়, আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের মূল্য আকাশছোঁয়া। তালিকায় দেখা যায়, রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ড এবং বার্সেলোনার লামিন ইয়ামাল—এই তিনজনের বাজারমূল্য প্রত্যেকের ২০০ মিলিয়ন ইউরো। পাশাপাশি, রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নামকরা ও অভিজ্ঞ অনেক তারকা এই তালিকায় জায়গা পাননি, যা ফুটবলের প্রতিযোগিতার পরিবর্তন ও পরিবর্তনের দিক নির্দেশ করে।
দামি একাদশের মধ্যমাঠ এবং রক্ষণভাগেও রয়েছে তারকাদের ভাণ্ডার। মিডফিল্ডে রিয়াল মাদ্রিদের ইংলিশ মহাতারকা জুড বেলিংহামের মূল্য ধরা হয়েছে ১৬০ মিলিয়ন ইউরো, এবং বার্সেলোনার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রির মূল্য ১৪০ মিলিয়ন ইউরো। রক্ষণভাগে, আর্সেনালের উইলিয়াম সালিবার মূল্য ৯০ মিলিয়ন ইউরো, পিএসজির আশরাফ হাকিমি ও বার্সেলোনার পাউ কুবারসির মূল্যপ্রায় ৮০ মিলিয়ন ইউরো করে নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও, পিএসজির নুনো মেন্ডেসের বাজারদর ৭৫ মিলিয়ন ইউরো, এবং ম্যানচেস্টার সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুমার মূল্য ধরা হয়েছে ৪৫ মিলিয়ন ইউরো। সাধারণভাবেই, এই একাদশটি বর্তমান ফুটবল বিশ্বের আর্থিক দিক থেকে প্রভাব ফেলছে এবং তরুণত্বের জয়গানকে প্রতিনিধিত্ব করছে।





