শনিবার, ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬, ১৭ই মাঘ, ১৪৩২

গাজাবাসীদের জন্য আবার খুলে দেওয়া হলো রাফাহ সীমান্ত from ইসরায়েল

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে গাজাবাসীদের জন্য রাফাহ ক্রসিং আবারো খুলে দিতে যাচ্ছে ইসরায়েল। আগামী রোববার এই গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তপথটি পুনরায় চালু হবে, তবে এটি দিয়ে চলাচল হবে সীমিত পরিসরে। এই খবর শুক্রবার আলজাজিজার রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা সিওগ্যাট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিসর ও গাজার মধ্যে এই সীমান্ত দিয়ে কেবলমাত্র নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ চলাচল করতে পারবে। রাফাহ ক্রসিংটি গাজার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবেশদ্বার কারণ এটি প্রায় ২০ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষের খাদ্য, ওষুধ, আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা আনতে একমাত্র পথ। মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে এই সীমান্ত পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদিও এই বিষয়ে নিখুঁত সময়সূচি এখনও জানানো হয়নি।

চুক্তির প্রথম ধাপের সফল বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে এই সপ্তাহে, যেখানে গাজার ইসরায়েলি বন্দিদের মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়। এরপর হামাস তাদের বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির সকল শর্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বিশেষভাবে রাফাহ সীমান্তের ওপরে কোনও ধরনের বিধিনিষেধ ছাড়াই এটি উভয় দিক থেকে খুলে দেওয়ার দাবি তুলেছে।

এদিকে, ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ক্রসিংয়ের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। সিওগ্যাটের বিবৃতি অনুযায়ী, এই ক্রসিং দিয়ে গাজায় প্রবেশ ও প্রস্থান করার অনুমতি মিসর ও ইসরায়েলের যৌথ সমন্বয়ে, নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে হবে, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারির ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অতিরিক্তভাবে, যুদ্ধকালীন সময়ে গাজা থেকে মিসরে চলে যাওয়া লোকজনের মধ্যে যারা ফিরতে চান, তাদেরকেও ইসরায়েলের অনুমোদিত নিরাপত্তা যাচাই ও মিসরের সঙ্গে সমন্বয় করে ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে। এছাড়া, ইসরায়েলি সেনার তত্ত্বাবধানে থাকা একটি নির্দিষ্ট করিডোরে পরিচয় শনাক্তকরণ ও স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন