ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিনি মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে এই আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী, যিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট। এই নির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থীแข่งขัน করেন, তাদের মধ্যে শামা ওবায়েদ সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোন প্রার্থীর জামানত রক্ষার জন্য অবশ্যই মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এই হিসাব অনুযায়ী, এই আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রত্যেক প্রার্থীর জন্য প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট। তবে, শামা ওবায়েদ ও আকরাম আলী ছাড়া অন্য চার প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি। জামানত হারানো অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ মো. জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬৮ ভোট, গণ অধিকার পরিষদের ফারুক ফকির পেয়েছেন ৬৭৫ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের আকরামুজ্জামান পেয়েছেন ৬১৭ ভোট, এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. নাজমুল হাসান পেয়েছেন ২৫৭ ভোট।
তথ্য অনুযায়ী, এই আসনের ১৭৭টি ভোট কেন্দ্রের বেশিরভাগে কিছু প্রার্থীর শূন্য ভোট পাওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে। নির্বাচনে মোট ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৩১টি ভোট পড়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৯১৫টি ভোট বাতিল হওয়ার কারণে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬। যদি সব প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট মিলে দেখা যায়, তারা সম্মিলিতভাবে কেবল ৩ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়েছেন, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ২ শতাংশ। নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় এই চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।





