বৃহস্পতিবার, ১২ই মার্চ, ২০২৬, ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠানোর কারণে জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা বহিষ্কার

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের অনুমতি বা স্বাক্ষর না নিয়ে তার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। এ ঘটনার ফলে মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান নামে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টাকে দ্রুত অব্যাহতি দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জামায়াতের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানের পরিবর্তে জামায়াতের অধীনে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টায় নিয়োগ দেওয়া হয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে।

জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ঘটনার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিষয়টি মূলত দুই সপ্তাহ আগে ঘটে। 당시 অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জামায়াতের আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি যখন ওই চিঠির বিষয়টি জামায়াতের আমিরকে জানিয়ে ছিলেন, তখন চিঠির বিষয়বস্তু ও ব্যাখ্যা কিছুটা ভিন্ন ধরনের ছিল। পরে তদন্তে দেখা যায়, চিঠির বিষয়বস্তুর সঙ্গে জামায়াতের আমিরের জানানো ব্রিফিংয়ে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।

বিশেষ করে, চিঠিতে যে ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ চাওয়ার কথা বলা হয়, তা নিয়ে জামায়াতের আমিরের কোনো মতামত বা অনুমোদন ছিল না। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেন এবং অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার বদলে নতুন করে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে।

জামায়াত জানায়, ভুল বোঝাবুঝি ও ভুল তথ্যের অপচয় এড়াতে তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে বিষয়টি পরিষ্কার করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রকে জানানো হয় যে, জামায়াতের আমির এই ঘটনায় অবগত ছিলেন না। পাশাপাশি, পুরোনো উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন উপদেষ্টার নিয়োগের বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়। সেই পদক্ষেপই ঘটনার সমাধান ঘটায় এবং বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন