রবিবার, ১৫ই মার্চ, ২০২৬, ১লা চৈত্র, ১৪৩২

দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে কমেছে ২,৬৮৩ টাকা

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা পর্যন্ত কমায় ভালো মানের সোনার নতুন দাম

দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। একই সঙ্গে রুপার দামও কমেছে।

শনিবার সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনা ও

রুপার নতুন দর ঘোষণা করে। এতে জানানো হয়, তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড) ও রুপার দাম

কমায় স্থানীয় বাজারেও নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো সোনার দাম কমল দেশে। এর আগে শুক্রবার সকালে ভরিতে

সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার কমেছিল ৩ হাজার ৩২৪

টাকা। ফলে তিন দিনে ২২ ক্যারেট সোনার দাম মোট কমেছে ৮ হাজার ১৬৫ টাকা।

নতুন দরে শনিবার সকাল থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২

লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হচ্ছে ভরিতে ২ লাখ ৫০

হাজার ৩৬৮ টাকায়। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং

সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায়।

এর আগে শুক্রবার রাত পর্যন্ত ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিতে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮

টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৬

হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হচ্ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকায়।

অর্থাৎ শনিবার নতুন সমন্বয়ে ২২ ক্যারেট সোনায় ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমেছে।

একইভাবে ২১ ক্যারেটে ২ হাজার ৫০৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ২ হাজার ১৫৭ টাকা এবং সনাতন

পদ্ধতির সোনায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা দাম কমেছে।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও পতন দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের রুপায় ভরিতে ২৯২ টাকা

কমেছে। ২১ ক্যারেটে কমেছে ২৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ২৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপায়

ভরিতে ১৭৪ টাকা হ্রাস পেয়েছে।

নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। ২১ ক্যারেটের

রুপা ভরিতে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার

দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৭৩৩ টাকা।

বিশ্ববাজারের গতিপ্রকৃতির সঙ্গে সমন্বয় করেই দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম

নির্ধারণ করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম

বাড়ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর সেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা ভেঙে যায়। ফলে

বাজারে এখনো ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন