ঢাকা শহরের হাজারীবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনরা জানিয়েছেন, তার মুখের মধ্যে বিষাক্ত পদার্থের গন্ধ পাওয়া গেছে, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম সাইদুল আমিন ওরফে সীমান্ত (২৫)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় থাকতেন।
সীমান্তের চাচা রুহুল আমিন জানিয়েছেন, তিনি হাজারীবাগের এক বাসায় সাবলেট থাকতেন। তার রুমমেটরা জানান, রাত ৯টার পরে সীমান্ত দরজা বন্ধ করে দেন। বেশ কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে বিষয়টি বাসার মালিকের কাছে জানানো হয়। এরপর, বাসার মালিক দরজা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেয়, যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চাচা আরো বলেছিলেন, “হাসপাতাল নেওয়ার সময় তার মুখ থেকে বিষাক্ত দ্রব্যের গন্ধ বের হচ্ছিল। আমাদের মতে, হয়তো সে বিষাক্ত কিছু খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে কেন এ করলো, তা বলতে পারছি না।”
নিহত সীমান্তের গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম সদরুল আমিন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।





