শুক্রবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৬, ২০শে চৈত্র, ১৪৩২

নিষেধাজ্ঞায় নেইমার, রেফারির সমালোচনা ও পারফরম্যান্স

নেইমার জুনিয়র ক্লাব ও জাতীয় দলে ভবিষ্যৎ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। তিনি একটি অ্যাসিস্টের মাধ্যমে একটি গোল করেছেন এবং আরও একটি গোলের অবদান রেখেছেন, যার কারণে সান্তোস দলটি ২-০ ব্যবধারে জয় অর্জন করে।

এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ম্যাচ শেষে হলুদ কার্ড পাওয়ায় পরবর্তী ম্যাচে খেলতে পারবেন না ব্রাজিলিয়ান এই স্টার। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেতে তিনি সম্পূর্ণ ফিটনেস অর্জনে মনোযোগী হওয়ার শর্ত দিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এই লক্ষ্য পূরণে নিজেকে প্রমাণ করতে নিয়মিত খেলছেন তিনি এবং এই ম্যাচেও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন।

তবে ৮৬ মিনিটে তৃতীয় হলুদ কার্ড দেখে তিনি পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়ে যান। এর ফলে তার পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ফিটনেস দেখানোর সুযোগও কমে যায়।

সান্তোসের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ফ্ল্যামেঙ্গোকে নিয়ে, যা নেইমারের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

ম্যাচের এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় দিয়েগো হার্নান্দেজের কড়াকড়ি ফাউলের জন্য উত্তেজনা ছড়ায়। ওই সময় দু’দলের খেলোয়াড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও চলে। রেফারির সিদ্ধান্তে নেইমারকে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, ‘রেফারির আচরণ রীতিমতো অশ্রদ্ধার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। সে ম্যাচের তারকা হতে চায়। খেলোয়াড়দের প্রতি তার আচরণ মোটেও সম্মানজনক নয়। সে সবসময় আধিপত্য বজায় রাখতে চায়।’

নেইমার আরও যোগ করেন, ‘তাকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কৌশল শিখতে হবে। আমাকে পেছন থেকে ফাউল করা হয়, যা এখনও রকমেরই অপ্রীতিকর। এই প্রথম নয়, এটি তৃতীয় বা চতুর্থ ফাউল। আমি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গিয়েই হলুদ কার্ড দেখি, যা অন্যায়।’

ম্যাচে সান্তোসের দুই গোলের জন্য সরাসরি অবদান রেখেছেন নেইমার। প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে তার বাড়ানো বলে গোল করেন মিডফিল্ডার থাসিয়ানো। পরে ৮২ মিনিটে তার তৈরি আক্রমণে বল পেয়ে গোল করেন গঞ্জালো এসকোবার। এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সান্তোস লিগ টেবিলের ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন