শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৬, ২১শে চৈত্র, ১৪৩২

বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম আবারও বেড়ে গেল

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির নতুন ধাপে যোগ দিয়েছে উত্তেজনা এবং মূল্য বৃদ্ধি। এই বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার মিলিত আয়োজনে ৪৮ দল অংশ নিচ্ছে। বর্তমানে ফাইনাল ম্যাচের শীর্ষ ক্যাটাগরির টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৯৯০ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।

বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই টিকিট বিক্রির পর্দায় দেখা গেছে, ১০৪ ম্যাচের মধ্যে ৪০টির টিকিটের মূল্য আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর মাসে ড্রয়ের সময়, ফাইনালের শীর্ষ ক্যাটাগরির টিকিটের মূল্য ছিল ৮ হাজার ৬৮০ ডলার। বর্তমানে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ১০ হাজার ৯৯০ ডলারে পৌঁছেছে।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের ‘ক্যাটাগরি ২’ টিকিটের দাম ৫ হাজার ৫৭৫ ডলার থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৩৮০ ডলার হয়েছে। অন্যদিকে, ‘ক্যাটাগরি ৩’ এর টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগে ছিল ৪ হাজার ১৮৫ ডলার, এখন এসে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৮৫ ডলারে।

নকআউট পর্বের বেশিরভাগ ম্যাচের টিকিটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, দুইটি সেমিফাইনালের টিকিটের মূল্য ৩ হাজার ২৯৫ ডলার থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৭১০ ডলারে নির্ধারিত হয়েছে।

উদ্বোধনী ম্যাচের টিকিটের দামও বৃদ্ধি পায়। ১১ জুন মেক্সিকো বনাম সৌদি আরবের ম্যাচের টিকিট মূলত ২ হাজার ৩৫৫ ডলার থেকে এখন ২ হাজার ৯৮৫ ডলার। একইভাবে, ১২ জুন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে কানাডার ম্যাচের টিকিটের দামও বেড়ে গেছে।

তবে, বিভিন্ন ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সময় নির্দিষ্ট ঘোষণা না থাকায় অনেক ক্রেতাকে দীর্ঘ সময় ফিফার ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করতে হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনেকের আপানার লিংকে প্রবেশে সমস্যা হলেও পরে ফিফা জানায়, এই সমস্যাগুলো সমাধান করা হয়েছে।

সব ম্যাচের টিকিট একসঙ্গে বাজারে ছাড়া হয়নি। টুর্নামেন্ট চলাকালীন পর্যায়ক্রমে আরও টিকিট বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্বকাপে এবারই প্রথম এই টিকিট বিক্রিতে চালু হয়েছে ডায়নামিক প্রাইসিং পদ্ধতি, যেখানে চাহিদা অনুযায়ী টিকিটের দাম ওঠানামা করবে। তবে এই নতুন পদ্ধতি শুরু থেকেই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে কেউ কেউ মনে করেন এটি টিকিটের মূল্যকে জটিল করে তুলছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন