মৌলভীবাজারের জুড়ীতে আয়োজিত ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হওয়ায় স্থানীয় Wohlবুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাব্যক্তির মধ্যে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এই মহাকাব্যিক আয়োজনের ঘোষণা থাকলেও কার্যত একদিনে সব কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলার কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সচেতন মহল গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে জুড়ী উপজেলা প্রশাসন এই মেলার আয়োজন করেছিল। তবে অভিযোগ উঠেছে, প্রচারণার অভাব এবং অব্যবস্থাপনার কারণে এই বৃহৎ আয়োজনের আসল রূপ দেখে সন্তুষ্ট হতে পারেননি সাধারণ দর্শক ও অংশগ্রহণকারীরা। উপজেলার বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এই মেলার বিষয়টি জানতে পারেনি, ফলে অংশগ্রহণ ছিল খুবই সীমিত।
অংশগ্রহণকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা অনেক পরিশ্রম করে বিজ্ঞান প্রকল্প তৈরি করেছিলাম। কিন্তু মেলা একদিনেই শেষ হয়ে যাওয়ায় আমাদের তৈরি কাজে পুরোপুরি উপস্থাপন করার সুযোগ পেলাম না।’ অন্য এক শিক্ষক বলেন, ‘যদি সময়মতো পরিকল্পনা মানা হতো, তাহলে আরও বেশি শিক্ষার্থী ও স্কুল এই মেলায় অংশ নিতে পারত এবং তাদের উদ্ভাবনী মেধা প্রদর্শনের সুযোগ পেত।’
জুড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সময় সংকটের কারণে কিছু প্রশাসনিক পরিবর্তন আনতে হয়েছে। তবে আমরা ভবিষ্যতে এই আয়োজন আরও দক্ষতা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।’
অপরদিকে, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নুর জানান, ‘এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়টি মাথায় রেখে, সময়ের কারণে প্রথম দিনেই প্রদর্শনী শেষ করতে হয়। যদিও কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, আমরা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’
সাম্প্রতিক এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, বিজ্ঞান মেলা শিশুদের সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানমনস্কতা বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। তবে যথাযথ পরিকল্পনা, কার্যকর প্রচারণা এবং সময় ব্যবস্থাপনার অভাবে এবারের মেলা মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাঁরা ভবিষ্যতে এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ও সজাগ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।





