রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ডিএসইতে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি সত্ত্বেও বাজার মূলধন হ্রাস

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর

বৃদ্ধি পেলেও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দরপতনের ফলে বাজার মূলধনে নেতিবাচক প্রভাব

পড়েছে। লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনই দাম বাড়ার তালিকায় অধিকাংশ

প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন প্রায় ২ হাজার ৬৫৪

কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬

লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় কম। এর আগের সপ্তাহেও বাজার

মূলধনে ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকার পতন লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

বাজার মূলধন কমলেও প্রধান ও শরিয়াহ সূচকের ক্ষেত্রে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা

গেছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে ১১ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা দশমিক

২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর ডিএসই

শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ৭ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট। তবে শক্তিশালী ও ভালো মৌলভিত্তির

কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকটি গত সপ্তাহে ১৯ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ

হ্রাস পেয়েছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২০৫টির শেয়ার ও

ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১৪৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি প্রতিষ্ঠানের

শেয়ার দর।

বিদায়ী সপ্তাহে শেয়ারবাজারে লেনদেনের গতি আগের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সপ্তাহের

প্রতিদিন গড়ে ৮৭৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা আগের

সপ্তাহের গড় লেনদেনের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বা ৬৯ কোটি টাকার বেশি। লেনদেনের

তালিকায় একক আধিপত্য বিস্তার করেছে ব্র্যাক ব্যাংক, যার শেয়ার প্রতিদিন গড়ে ৭৪ কোটি

টাকার বেশি হাতবদল হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এছাড়া ডমিনেজ স্টিল

বিল্ডিং, মুন্নু সিরামিক, এনসিসি ব্যাংক ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজসহ বেশ কিছু

প্রতিষ্ঠান লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। সূচকের এই মিশ্র অবস্থার

মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা গত সপ্তাহে বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়িয়ে তুলেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন