রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নিউইয়র্কের মেয়রের সঙ্গে শর্টফিল্মে জায়েদ খানের চমক

ঢালিউডের গণ্ডি পেরিয়ে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় চমক নিয়ে হাজির হয়েছেন আলোচিত

চিত্রনায়ক জায়েদ খান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান কোয়ামে

মামদানির সঙ্গে একই পর্দায় অভিনয় করেছেন তিনি। জন কবির ও সাদ আল আমীন পরিচালিত

‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস’ শর্টফিল্মের দ্বিতীয় পর্বে তাঁদের এই চমকপ্রদ উপস্থিতি দেখা

যাবে। প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম ও নানা অজানা গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই

চলচ্চিত্রটি এরই মধ্যে বিনোদন জগতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, এই শর্টফিল্মটি আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়

‘ঠিকানা’র প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এর আগে গত মার্চ মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এই

সিরিজের প্রথম পর্বটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার

দ্বিতীয় পর্বে নিউইয়র্কের মেয়রের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে যুক্ত করে পুরো

প্রজেক্টে এক নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি প্রবাসীদের

প্রতিদিনের লড়াই ও যাপনের গল্পগুলো এই সিরিজে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটিয়ে তোলা

হয়েছে।

নিউইয়র্কের মেয়রের মতো একজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তিকে এই প্রজেক্টে যুক্ত করার নেপথ্যে

বড় ভূমিকা রেখেছেন ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও তাঁর স্ত্রী আনুভা শাহীন হোসেন। তাঁরা

মেয়রের দপ্তরে ইমেইল পাঠিয়ে সিনেমার বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত

করার পর মেয়রের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া এবং শুটিংয়ের শিডিউল পাওয়া যায়। একজন

বিশ্ববরেণ্য ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া কেবল ব্যক্তিগত

সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের পতাকার জন্যই এক গর্বের বিষয় বলে গণমাধ্যমে মন্তব্য

করেছেন জায়েদ খান।

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে জায়েদ খান মেয়রের পেশাদারিত্ব ও বিনয়ী স্বভাবের

ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, একজন প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর জনপ্রতিনিধি হওয়া

সত্ত্বেও জোহরান মামদানি সেটে ছিলেন অত্যন্ত সাধারণ এবং নিরহংকারী। বারবার

পরিচালকের নির্দেশনা মেনে নিখুঁত শট দেওয়ার জন্য তিনি একজন সাধারণ অভিনেতার মতোই

অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। জায়েদ খানের মতে, মেয়রের এই মাটির মানুষ রূপ এবং কাজে

তাঁর একাগ্রতা দেখে তিনি ব্যক্তিগতভাবে মুগ্ধ হয়েছেন।

জায়েদ খান ও মেয়রের এই মেলবন্ধন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে

ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জায়েদ খান

ও মেয়রের একটি ছবি এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে সাধারণ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক

কৌতূহল ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সবাই এখন ২৭ মে’র অপেক্ষায় রয়েছেন, যখন এই বিশেষ

শর্টফিল্মটি দর্শকদের সামনে আসবে এবং প্রবাসীদের জীবনের না বলা মানবিক গল্পগুলো বড়

পরিসরে উন্মোচিত হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন