, ,

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনে  ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের পূর্ণ প্যানেলে জয়

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির

পরিচালকরা সরাসরি ভোটাধিকারের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার রাতে নগরীর

আগ্রাবাদে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা

করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম। এবারের নির্বাচনে ২৪টি পরিচালক

পদের সবকটিতেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আমিরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড বিজনেস

ফোরাম’। ১৮টি পদে সরাসরি ভোটগ্রহণ হলেও টাউন ও ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন শ্রেণির ৬ জন

পরিচালক আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় পুরো পর্ষদই এখন এই ফোরামের

নিয়ন্ত্রণে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট তথ্যানুযায়ী, মোট ৬ হাজার ৭৮০ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ৭২৫ জন

তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশ। সাধারণ শ্রেণিতে

৪৬ শতাংশ এবং সহযোগী শ্রেণিতে ৩২ শতাংশ ভোটার উপস্থিত ছিলেন। ২০১৩ সালের পর থেকে

চেম্বারের সব কমিটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গঠিত হয়ে আসছিল, ফলে এবারের এই

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি

করে। নির্বাচনের জন্য মোট ১৭টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল যেখানে ভোটাররা তাঁদের

পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করেন।

চেম্বারের বিধি মোতাবেক, নবনির্বাচিত ২৪ জন পরিচালকের প্রত্যক্ষ ভোটে এখন একজন

সভাপতি এবং দুইজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হবেন। আগামী সোমবার সকালে এই প্রেসিডিয়াম

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণ শ্রেণিতে কামাল মোস্তফা চৌধুরী ১ হাজার

৪০৫ ভোট পেয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। এছাড়া এএসএম ইসমাইল খান, আবু হায়দার চৌধুরী

এবং মো. আমজাদ হোসাইন চৌধুরীসহ অন্যান্যরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। সহযোগী

শ্রেণিতে মো. জাহিদুল হাসান ও মো. নুরুল ইসলামসহ ছয় জন নির্বাচিত হয়েছেন।

বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের প্রধান ও নবনির্বাচিত পরিচালক

মোহাম্মদ আমিরুল হক সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা চেয়েছি ভোটের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা

তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করুক। সেটিই হয়েছে।’ গণতান্ত্রিক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে

ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা ও চেম্বারের কার্যক্রমে গতি ফিরবে বলে মনে করছেন

সংশ্লিষ্টরা।

পোস্টটি শেয়ার করুন