ঈদের আনন্দের সকালেই চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ
উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
আজ ২৮ মে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের আঠারোখাদা গ্রামের একটি মাঠের
গাছ থেকে বখতিয়ার হোসেন (৩৫) নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বখতিয়ার
হোসেন উপজেলার গাংনি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের নজু মালিথার ছেলে। পেশায় তিনি একজন
রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ পবিত্র ঈদুল আজহার সকালে নামাজ শেষে
বাড়ি ফিরছিলেন আঠারোখাদা গ্রামের বাসিন্দারা। পথে মাঠের একটি গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া
অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ ঝুলতে দেখে তারা চমকে ওঠেন। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি এলাকায়
ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় জমায়। পরে স্থানীয়রা আলমডাঙ্গা থানা পুলিশকে খবর
দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে নিচে নামায়।
এদিকে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার। তাদের অভিযোগ,
বখতিয়ারকে অন্য কোথাও পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর মরদেহ এখানে এনে গাছে
ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে দ্রুত
ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি
ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি
আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই পরিষ্কার হবে। ঘটনার পেছনের রহস্য
উদঘাটনে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।





