সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রত্যাশিত বড় জয় না পেলেও ৪-২ গোলের
কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে আগের
ম্যাচে ১১-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হওয়া মালদ্বীপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অনায়াসেই জিতবে
বলে ধারণা করা হলেও গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে পূর্ণ পয়েন্ট অর্জনে সাবিনাদের
যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে। এই জয়ের সুবাদে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দলই সেমিফাইনাল
নিশ্চিত করেছে এবং টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে মালদ্বীপের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে।
আগামী ৩১ মে গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, যেখানে গোল
ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ড্র করলেই ভারত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ পাবে।
ম্যাচের শুরুটা ছিল বাংলাদেশের জন্য দারুণ আশাব্যঞ্জক। খেলা শুরুর প্রথম মিনিটেই
সুইডেন প্রবাসী আনিকা সিদ্দিকীর লক্ষ্যভেদে লিড পায় বাংলাদেশ এবং ৩৪ মিনিটে উমহেলার
গোলে সেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। তবে কোচ বাটলারের হাই লাইন ডিফেন্স কৌশলের সুযোগ নিয়ে
প্রথমার্ধেই একটি গোল পরিশোধ করে মালদ্বীপ। রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের পেছনে ফেলে
মালদ্বীপের ফরোয়ার্ড নুরা আগুয়ান গোলরক্ষক মিলির মাথার ওপর দিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে
জড়ান। বিরতির পর ৫৭ মিনিটে মালদ্বীপের ফরোয়ার্ড ফাজলার একটি শট মিলির গ্রিপ থেকে
ফসকে গেলে পুনরায় গোল হজম করে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।
নারী ফুটবলে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা মালদ্বীপ এদিন বারবার বাংলাদেশের রক্ষণভাগে
আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেদের লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দেয়। অবশ্য ৬৩ মিনিটে মালদ্বীপের
গোলরক্ষকের এক মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে সুরভি আকন্দ প্রীতি লক্ষ্যভেদ করলে
বাংলাদেশ পুনরায় ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে ঋতুপর্ণা চাকমা
দূরপাল্লার কয়েকটি জোরালো শট নিলেও সেগুলো সফল হয়নি। অবশেষে ইনজুরি সময়ে ঋতুপর্ণার
কর্নার থেকে কোহাতি কিসকু গোল করলে ৪-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় এবং স্বস্তি ফেরে
বাংলাদেশ শিবিরে।





