প্রথম শ্রেণির মাদারীপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ ইরেজী অর্থবছরে ১১০ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার
৩৬০ টাকার চ্যালেঞ্জিং খসড়া বাজেট প্রণয়ন করে নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে পৌর প্রশাসক (উপসচিব) জেসমিন আক্তার
বানুর সভাপতিত্বে ও উপস্থানায় উক্ত খসড়া বাজেট প্রণয়ন এবং এর বাস্তবায়নের বিভিন্ন
খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে নাগরিক মতবিনিময় সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় জেসমিন আক্তার বানু বলেন, ‘উন্নত পৌর নাগরিক সেবা প্রদানই তাদের মূল লক্ষ্য।
বাজেটে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন, গুরুত্বপূর্ণ টেকসই অবকাঠামো এবং সড়ক উন্নয়ন
প্রকল্প, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাষ্ট ফান্ড প্রকল্প (সিসিটিএফপি), আয়-ব্যয় খাতের
হিসাব, মূলধন হিসাব, ২০২৪-২৫, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রকৃত ও সংশোধিত বাজেটের
পর্যালোচনা, বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার হতে প্রাপ্ত অর্থের বিবরণী, বিভিন্ন
দাতা সংস্থা হতে প্রাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের আয়-ব্যয়, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের
জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প, স্যানিটেশন-ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সৌন্দর্য
বর্ধন প্রকল্প, রাস্তাঘাট ও খেলাধুলার মাঠের উন্নয়ন, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
উন্নয়ন, শিশুপার্ক, ঈদগাহ, কবরস্থান, ওয়াকওয়ে, অডিটোরিয়াম, কমিউনিটি সেন্টারের
উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ সঞ্চালন, বৃক্ষরোপণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, টিকাদান কর্মসূচি,
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া, হাম-রুবেলা প্রতিরোধ, মশক নিধন, সুপেয় পানি সরবরাহ, সৌরবিদ্যুৎ
বাতির উন্নয়ন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প, নিরাপদ ও
যানজটমুক্ত সড়ক ব্যবস্থা, পুকুর-জলাশয় সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বাজেটের
আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, লক্ষ্যমাত্রা ও ট্যাক্স আদায়সংক্রান্ত উপস্থাপনা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নিবাহী কর্মকর্তা মো. আসমত হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা
খন্দকার আবু আহমদ ফিরোজ ইলিয়াসসহ অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে বিশেষ অতিথির
বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ
কাজী হুমায়ুন কবীর, সাবেক সিভিল সার্জন ও নিরাময় হাসপাতাল (প্রা.) লিমিটেডের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার মো. সরোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত
সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটু, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি)-এর জেলা
শাখার সভাপতি খান মো. শহীদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি এনায়েত নান্নু,
দৈনিক বাংলার সাংবাদিক শরীফ ফায়েজুল কবীর প্রমুখ।
প্রস্তাবিত খসড়া বাজেট উপস্থাপনের পর এর ওপর মতবিনিয়কালে বক্তারা বলেন, ‘বাজেটের
আকার বড় হলেও এর বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে সঠিক কর্মপরিকল্পনা, নতুন-নতুন খাত তৈরি,
ট্যাক্স হোল্ডার বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।’
তারা আরও বলেন, ‘পৌর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নেন অথচ ট্যাক্স প্রদান করেন না এমন
নতুন-নতুন খাত চিহ্নিত করে পৌর ট্যাক্সের আওতায় আনা উচিত।’





