, ,

বড় মূলধনী কোম্পানির দাপটে ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে

(ডিএসই) বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক দরপতন দেখা গেছে। তবে বড় মূলধনী ও ভালো

মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরে ইতিবাচক গতির কারণে দিনশেষে প্রধান

মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এদিন দাম কমার তালিকায় ছিল অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এবং

আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। দেশের অপর পুঁজিবাজার

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই ধরণের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বড়

শেয়ারের ওপর ভর করে সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে। এর মাধ্যমে চলতি সপ্তাহের চার দিনই

দেশের উভয় বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকল।

লেনদেনের শুরুতে ডিএসইতে বিপুল পরিমাণ শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচক এক পর্যায়ে ৫৫ পয়েন্ট

পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। কিন্তু প্রথম ঘণ্টার পরেই বিমা ও বস্ত্র খাতের অধিকাংশ

প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমতে শুরু করলে বাজারের চিত্রে পরিবর্তন আসে। এই খাতের

নেতিবাচক হাওয়া অন্যান্য অনেক কোম্পানিতে ছড়িয়ে পড়ায় দাম কমার তালিকাটি বেশ লম্বা

হয়ে ওঠে। তবে বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরে বড় ধরণের

পতন না ঘটায় সূচক শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক অবস্থানেই স্থির থাকে। দিনশেষে ডিএসইতে ১৩১টি

প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়লেও বিপরীতে ২১৮টির দাম কমেছে এবং ৫১টি প্রতিষ্ঠানের

দর অপরিবর্তিত ছিল। বিশেষ করে বিমা খাতের ৪৪টি এবং বস্ত্র খাতের ৪৬টি প্রতিষ্ঠানের

শেয়ার দরে বড় পতন হয়েছে। বিপরীতে বাছাই করা ৩০টি ভালো কোম্পানির মধ্যে ২২টিরই দাম

বেড়েছে।

অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯১ পয়েন্ট বাড়লেও সেখানে লেনদেনের পরিমাণ

পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় অনেকটা কমে ৩২ কোটি ১৭ লাখ টাকায় নেমেছে। বাজারটিতে লেনদেন

হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০১টির দাম বেড়েছে এবং ১২৫টি প্রতিষ্ঠান দর

হারিয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের অনেক শেয়ারে সংশোধন

চললেও বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তি সম্পন্ন শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান

আগ্রহের কারণে সূচকের এই উচ্চ অবস্থান নিশ্চিত হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন