রবিবার, ১১ই জানুয়ারি, ২০২৬, ২৭শে পৌষ, ১৪৩২

বাবার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি সম্পদ অর্জন করলেন হান্নান মাসউদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী পিতা ও পুত্রের হলফনামা থেকে তাঁদের সম্পদ ও অর্থনৈতিক অবস্থার এক নতুন চিত্র সামনে এসেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ তার পিতা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের চাইতে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন।

সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, বাবা-মার সম্পদের পরিমাণ ২০ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫১ টাকা। এর বিপরীতে, ছেলে হান্নান মাসউদ দাখিল করেছেন ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। এই বিশাল পার্থক্য অর্থের উৎস ও পরিবারের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

উৎসের দিক থেকেও তাদের মধ্যে বড় পার্থক্য দেখা যায়। গত এক বছরে, হান্নান মাসউদ ব্যবসা থেকে ৬ লাখ টাকা আয় করেছেন, আর তার বাবার আয় কৃষি ও প্রাইভেট সেক্টরে সম্মানী হিসেবে মোট ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।

এ তথ্যগুলো নির্বাচনি মনোনয়ন ফরমের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার দাখিল করা হলফনামা থেকে জানা গেছে। এতে দেখা যায়, পিতা-পুত্র দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। বাবা, আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বয়সে অবসরপ্রাপ্ত ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) শপথে আছেন, যেখানে তিনি একতারা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ছেলে আব্দুল হান্নান মাসউদ এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচনী লড়াই চালাচ্ছেন।

আমিরুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত সম্পদ সংক্রান্ত তথ্যের বাইরে অন্য কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। তবে তাঁর হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তার কাছে নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫১ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া, তার মালিকানায় রয়েছে ২৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র এবং নানা কৃষি ও অকৃষি সম্পদসহ মোট ১৬৮ শতাংশ জমি।

সম্পত্তির বিশদ বিশ্লেষণে ব্যক্তিগত ভাবনায় বা অন্যান্য বিষয়ের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন।

পোস্টটি শেয়ার করুন