শুক্রবার, ৯ই জানুয়ারি, ২০২৬, ২৫শে পৌষ, ১৪৩২

নাসির হোসেনের দ্রুততম ফিফটি, ঢাকাকে উচ্ছ্বাসে ভাসালেন

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলমান আসরে এক ভয়ঙ্কর ও রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয় পান ঢাকা ক্যাপিটালস। বুধবারের এই ম্যাচে তারা নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছেন। এই জয়ে দলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠা আরও নিশ্চিত হলো, আর নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পঞ্চম পরাজয় হয়ে গেল টুর্নামেন্টের পাঁচ ম্যাচে সবেমাত্র দু’টিতে জয় পাওয়া দলটির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক। এই ম্যাচের মূল ভিলेन ছিলেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার নাসির হোসেন, যিনি মাত্র ২১ বলে ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়ে বিপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড গড়েছেন।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিং করতে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ধীরে ধীরে সংগ্রাম করতে থাকে। ঢাকার বলিং আক্রমণের মুখে প্রথমদিকে দলের অস্থিরতা দেখা দেয়। মাত্র ৪০ রানে দলের পাঁচ ব্যাটার ফিরে গেলে দলের জন্য দুঃসংবাদ হয়। তবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবি এবং হায়দার আলি। তারা ষষ্ঠ উইকেটে ৬১ বলে ৯০ রানের মহাকাব্যিক জুটি গড়ে দলকে কিছুটা সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে আসেন। হায়দার আলি ৩৬ বলের ইনিংসে ৪৭ রান করেন, এবং নবি ৩৩ বলে ৪২ রান করে দলের স্কোর দাঁড় করান। তাঁদের দৃঢ়তার কারণেই নির্ধারিত ২০ ওভারে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৪ রান।

৭৩ রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালসের শুরুটা খুব একটা সুখকর ছিল না। প্রথম উইকেটে ১৪ রান করা ওপেনাররা- রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন- ফিরে যান। কিন্তু সেই সময় মাঠে নাসির হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিং দৃঢ় করে দেন দলের অবস্থা। তিনি শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং চার-ছক্কায় ঢেকে দেন মাঠ। তার ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও দুটি বিশাল ছক্কা। তার সঙ্গ দেন ইরফান শুকুর এবং পরে ইমাদ ওয়াসিম। ইমাদ ১৬ বলে ২৯ রানে দলের জয় দ্রুত আনেন। নাসিরের অবিচ্ছিন্ন ব্যাটিংয়ের জন্য ঢাকা সহজে জয় পায় এবং নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দেন। মূলত তার রেকর্ড গড়া ফিফটি আর বোলারদের সাম gravel ক প্রচেষ্টাই এই সহজ জয়ের মূল কারণ। এই জয়ে ঢাকাকে আরও একধাপ এগিয়ে রাখে বিপিএল আসরে।

পোস্টটি শেয়ার করুন