আমি খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের সংসদ সদস্য ছিলাম, তাই আপনাদের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। সেই সময় কোনো রাস্তা ছিল না, ঘাট ছিল না, বিদ্যুৎও ছিল না। আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি, আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে গিয়েছি। গত ১৫ বছর আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গিয়েছি, তবে এখনও বেশ কিছু সংস্কার দরকার।বর্তমানে আমাদের রাস্তার ছোটখাটো সমস্যা রয়েছে, গাড়ি চালানোয় ধুলা ও বালি খেতে হয়। আমি সত্যিই আপনারাদের পাশে থেকে খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের ভালোবাসা এবং সমর্থনে আমি এখনোও মানুষের সেবায় নিবেদিত থাকবো এবং বাকি জীবনও আপনাদের পাশে থাকতে চাই।বরগুনা-২ (পাথরঘাটা- বামনা- বেতাগী) আসনের ৪নং পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন শাখার তরফ থেকে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলছিলেন বরগুনা-আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি।তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় গত ১৫ বছর কোন উন্নতির ছোঁয়া লাগেনি। মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন হয়নি। আমি চাই আমার মেধা ও শ্রম দিয়ে মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে। বরগুনা-২ কে একটি পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করতে চাই, যেখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে জাহাজ রিপেয়ারিং কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে। আমার মৎস্যঅধিকারী ভাইদের জন্য খোলা মনে পাশে দাঁড়াতে চাই ইনশাল্লাহ।নূরুল ইসলাম মনি আরো বলেন, যারা এখনো মানুষদের হক মেরে খাচ্ছে, যারা সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজিতে লিপ্ত, তারা যেন আরও ভালো হয়ে যায়। আমি একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ হিসেবে বলতে চাই, আমি কোনো অন্যায়ের উৎসাহ দেব না। গত ১৫ বছর রাষ্ট্রের প্রতি একটি ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা চলে এসেছে, যারা সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে নিয়েছে। আমি যদি আবার মতামত পাই, আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হই, তবে আমি বাকি জীবনও আপনাদের কল্যাণে কাজ করে যাব।তিনি আরও বলেন, যারা দেশের স্বার্থে কিছু চায় না, তাদের অনেকের নাম-পরিচয় আপনি জানেন না, তবে তারা এখন দেশের মালিকানা চায়। তারা আপনাদের অধিকার ও ভোটের কারবার চাচ্ছে।জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি সবকিছু ঠিক থাকে, ইনশাল্লাহ, ধানের শীষের বিজয় নিয়ে আপনারা ঘরে ফিরবেন। একটি চক্রান্তকারী দল ভোট চাওয়ার নামে দেশের ক্ষতি করতে চাইছে, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়গুলো থেকে সাবধান থাকুন।জনসভায় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ জনগণ, বিএনপির বিভিন্ন উপজেলা নেতা-কর্মী এবং অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।





