তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বিটিভিকে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে আকর্ষণ করতে সক্ষম এক টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি জানান, বিটিভির কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি, তাই জনপ্রত্যাশা ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী তার সকল প্রোগ্রাম পরিকল্পনা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তিনি emphasizing করেন, বিটিভি শুধু একটি সাধারণ টেলিভিশন চ্যানেল নয়, এটি অনেক ইতিহাসের সাক্ষী এবং ঐতিহ্যের ধারক-বাহক। আমাদের এই মূল্যবান সম্পদকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে বলে তিনি জোর দেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) অফিস পরিদর্শনকালে, তিনি এই সব কথা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসিনসহ অন্য কর্মকর্তা কর্মচারি।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বিটিভিকে আরও জনবান্ধব ও সময়োপযোগী করে তুলতে কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময়, বিটিভিকে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নিরপেক্ষ থাকা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা চলবে না।
তাছাড়া, প্রতিযোগীতামূলক বাজারে টিকে থাকার জন্য আধুনিকায়নের উপর জোর দেন তিনি। মানুষের পরিবর্তিত চাহিদার কথা বিবেচনা করে অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচারে আরো সৃজনশীলতা আনতে হবে। পাশাপাশি, চ্যানেলের গতিশীলতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ এবং বাজেটের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিটিভির সকল স্তরের কর্মীদের সক্ষম করে তুলতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী সরকারের প্রয়োজনে একটি স্মার্ট ডিমান্ড চেকার বা চাহিদার তালিকা তৈরি করে রাখার পরামর্শ দেন।
মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী বিটিভির একটি সোশ্যাল মিডিয়া উইং খুলতে হবে। এই উইংয়ে সক্রিয় ও সময়োপযোগী কন্টেন্ট তৈরির জন্য নিয়মিত তরুণদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক কাজের সুযোগ চালু করার পরামর্শ দেন।
শেষে, উপদেষ্টা বিটিভির নিউজরুম, স্টুডিও, কন্ট্রোল রুম, লাইব্রেরি ও অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।





