সুন্দরবনের উপকূলজুড়ে দস্যুদের আতঙ্কে এখন মাছ ধরা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। দুবলার চরে প্রায় ১০ হাজার জেলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে সাগরে নামতেও সাহস পাচ্ছেন না। গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে দস্যুদের অপহরণের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে, যাতে ২০ জন জেলে অপহৃত হয়েছেন।
বনদস্যু আতঙ্কের কারণে জেলেরা জীবন ঝুঁকি নিয়ে গভীর সাগরে যেতে পারছেন না। দুবলার ফিশারমেন গ্রুপের সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, নিরাপত্তার অভাবে জেলেরা নিরাপদ মনে করে না সাগরে নামতে, ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে এবং পরিবারে দুশ্চিন্তা বেড়েছে।
স্থানীয় জেলে নেতা মোহতাসিম ফরাজী জানান, দস্যু চক্রগুলো নদী ও সাগরে সক্রিয় হয়ে জেলেদের ধরে মুক্তিপণ আদায় করছে। টাকা না দিলে মারধর বা গুরুতর আহতের ঘটনা ঘটছে, সম্প্রতি কয়েকজন জেলে চিকিৎসাধীন।
রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, দস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বনরক্ষীরাও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জেলেরা পাস নিতে আসেন না, এর ফলে রাজস্ব আদায়েও প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, জেলেরা না থাকার কারণে বেচাকেনাও অনেকটা বন্ধ হয়ে গেছে।





