রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২

পাম বিচ বিমানবন্দরের নাম ট্রাম্পের নামে করার অনুমোদন

ফ্লোরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও আগ্রহের শেষ নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে এই বিমানবন্দরের নামকরণের প্রস্তাবটি অঙ্গরাজ্যটির আইনসভায় অনুমোদিত হয়েছে সম্প্রতি। এবার এটি বাস্তবায়নের জন্য গর্ভনর রন ডেসান্টিসের স্বাক্ষর প্রয়োজন, যা শিগগিরই সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অঙ্গরাজ্যের রেকর্ড অনুযায়ী, রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত ফ্লোরিডা আইনসভা পাম বিচের এই বিমানবন্দরের নাম বদলে, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ নামে রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ট্রাম্পের কাছাকাছি অবস্থিত এই শহরটি বিখ্যাত its বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, সুন্দর সৈকত ও সুন্দরবন পরিবেশের জন্য। প্রস্তাবিত এই নতুন নামে নামকরণে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনও প্রয়োজন হবে, যা খুব শিগগিরই দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্বজনীন ব্যবসায়জগতে নিজের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখতে ট্রাম্প তার নিজস্ব ভুতুড়ে বিল্ডিং, ধন-সম্পদের গৌরব ও স্থাপনা দ্বারা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন। এই ধরনের নামকরণের মধ্যে একটি হলো, ওয়াশিংটনে অবস্থিত জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস-এর নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ রাখা। পাশাপাশি, পররাষ্ট্র দপ্তর ট্রাম্পের নাম যুক্ত করে কিছু নতুন উদ্যোগও চালু করেছে।

মিডিয়া সূত্রে জানা যায়, ট্রাম্প পেন স্টেশন ও ডালাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামেও নিজের নাম সংযুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন, যদিও তা ব্যর্থ হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় একটি ডলার নোটের খসড়া তৈরি করেছে যেখানে ট্রাম্পের প্রতিকৃতি সংবলিত স্মারক দেখা যাবে। তবে, জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি দিয়ে মুদ্রা তৈরি আইনত নিষিদ্ধ।

বিচার বিভাগেও এবার একটা বড় পতাকা উড়ছে, যেখানে ট্রাম্পের মুখাবয়বসংবলিত একটি বিশাল নীল ব্যানার টাঙানো হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক কার্যক্রমের নতুন দিগন্তের সূচনা করে। এই সমস্ত পরিবর্তন ও উদ্যোগ ট্রাম্পের ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়িক আধিপত্যের প্রচ্ছদ হয়ে উঠছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন