রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২

ইশরাক হোসেন ঘোষণা করলেন ১০ দিনের কর্মপরিকল্পনা

ঢাকা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার নির্বাচনী এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য ১০ দিনের গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এই পরিকল্পনার تفاصيل প্রকাশ করেন, যেখানে রমজান মাসের আগে ও ঈদুল ফিতরের সময়কালে বাস্তবায়নযোগ্য নানা কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরেন। মূল লক্ষ্য হলো এলাকার গ্যাস সমস্যা সমাধান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা, মাদক দমন অভিযান জোরদার করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও যানজট কমিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা।

জননিরাপত্তা জোরদার করতে ইশরাক হোসেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন এবং জানান, স্থানীয় থানা পর্যায়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ে পুলিশি টহল বাড়ানো হবে। বিশেষ করে ছিনতাই, চুরি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করে সব মাদক স্পট বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বিদেশে অবস্থানরত মাদক কারবারিদের ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আননের বিষয়েও তিনি হুঁশিয়ার করেন।

বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি ও জরুরি পরিদর্শনে গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। অসাধু মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে যৌথ অভিযান পরিচালনা ও ব্যবসায়ীদের সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ과 সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো যানজট মুক্ত রাখা, অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও ঈদের আগে ও পরে নির্বাচিত এই এলাকাটি আরও পরিচ্ছন্ন ও সুসজ্জিত করার জন্য ‘প্রাধান্য স্তর-২’ নামে আরও একটি বিস্তৃত পরিকল্পনাও তৈরি করেছেন তিনি। এতে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ, অন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন পরিস্কার ও জল অপসারণের জন্য ক্যামেরা প্রযুক্তির ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। মূলত, ওয়াসা ও তিতাস Gasসহ অন্যান্য সেবা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে ঢাকা-৬ আসনকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন