বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২

জঘন্য হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে অপ মান্য ও কলঙ্কিত একটি অধ্যায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে গঠন হয়েছিল। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি), রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানো শেষে এ কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে শহীদ সেনাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) এর চৌকস ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও প্রায় ৭২ জন অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক। বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র এই সময়ে চালানো হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টাও করা হয়েছিল। তবে দেশের জনগণ স্বাধীনতার স্বার্থে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন ব্যবস্থা শক্তিশালী করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো পূর্বের মতো দেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য রেখে কাজ করছে। পাশাপাশি, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পেছনের চোরাগোপ্তা ষড়যন্ত্রের অনুসন্ধান ও দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করাও অপরিহার্য।

অবশেষে তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রিয় শহীদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন