বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পরে মুরাদনগরে ইয়াবা বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান: গ্রেপ্তার ৭

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর উদ্যোগের পরপরই শুরু হয় ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান। এই অভিযানে বিশেষ করে ইয়াবার ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হাতেনাতে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ঘটনা ঘটে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের ঘটনা চলছে। এরপরই সেখানে অভিযান চালান পুলিশ। এসআই আবুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে অন্যান্য অভিযানে অংশ নেন এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল, এএসআই শামিমসহ অন্যান্য সদস্যরা।

অভিযানের সময় নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতেই আটক করা হয়।

আটকের পর ঘটনাস্থলেই অভিযান চালানো হয় একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানা করা হয় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

অভিযানের এই কার্যক্রমের পাশাপাশি উল্লেখ্য যে, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথমে এ সংক্রান্ত একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন, যেখানে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণা দ্রুতই প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি করে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন