দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন আমন্ত্রণ জানানো অতিথি। উল্লেখ্য, এদিন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয় থেকে হাঁটে করে অনুষ্ঠানের স্থান পান।
এ বছর শিল্পকলায়, শিক্ষা, স্থাপত্য ও সাংবাদিকতা সহ নানা ক্ষেত্রের অবদানের জন্য গুণীজনদের এ পদক প্রদান করা হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী, অভিনয় ক্ষেত্রে কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা পদক লাভ করেন। সংগীতের জন্য প্রয়াত গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকতায় প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান ও স্থাপত্যে বিশ্বখ্যাত স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমও এ গৌরবময় পদক পেয়েছেন।
অন্য ক্যাটাগরিতে পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন চারুকলার অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, নৃত্য বিভাগের অর্থি আহমেদ ও পালাগানের ইসলাম উদ্দিন পালাকার। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কৃত হন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। সংগীতাঙ্গনে দীর্ঘ চার দশকের পথচলায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এবারে প্রদান করা হয় জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’কে।
প্রতিবছর ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারিতে এই সম্মাননা দেওয়া হয়, যা দেশের গুণীজনদের প্রতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাঁদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পদক, সম্মাননা সনদ ও চেক গ্রহণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তি। এই পদক দেশের সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবে বিবেচিত।





