শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর বার্তার পরই মুরাদনগরে ইয়াবা বিরোধী অভিযান: আটক ৭

মুরাদনগর উপজেলায় ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর ঘোষণার পরপরই জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। বিশেষ এই অভিযান চলাকালে, ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়। তাঁদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই অভিযান পরিচালিত হয় গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।সূত্র জানিয়েছে, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবার বিক্রি ও সেবনের গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে। এতে অংশ নেন এসআই আবুল্লাহ আল মাসুদ ও তার সহকর্মীরা—এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামীম। অভিযানের সময়, যেসময় তারা ইয়াবা সেবন করছিলেন, সেই সময় হাতে নাতে আটক করা হয় নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল Mিয়াকে। আটকের পর ঘটনাস্থলেই তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, প্রত্যেককে ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা ও ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, ‘মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘মাদক যুবসমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তাই সবাইকে একসঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’ উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথমে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তার এই ঘোষণার পর থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশি তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন