মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকবিরোধী কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করে। বিশেষ এই অভিযান চালানো হয় চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে যেখানে ঘরে ঘরে ইয়াবা বিক্রি এবং সেবন চলছিল বলে গোপন সূত্রে জানা যায়। এ সময় উপস্থিত থাকা সঙ্গীয় ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।
অভিযানের সময় স্বাভাবিকভাবে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় ছয়জন এবং আরও একজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে। এই অভিযানে অংশ নেন এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, এসআই আলমগীর, এসআই নুরুল ইসলাম, এসআই রুহুল ও এএসআই শামিমসহ একদল পুলিশ।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়, এবং তাদের মোট ১৪০০ টাকা জরিমানা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ ইয়াবা সেবন ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। সরকার মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা চায়।’
উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথমে উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। এর পর থেকেই প্রশাসনের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।





