সোমবার, ৯ই মার্চ, ২০২৬, ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২

বাংলাদেশে এসেছে ৪টি গ্যাস জাহাজ, আরও ৪টি পথের মধ্যে

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য এক আশা জাগানোর খবর এসেছে। হরমুজ প্রণালি পার করে ইতিমধ্যে তরল গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামবাহী মোট ৮টি জাহাজ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৪টি ইতিমধ্যে বন্দরে এসে পৌঁছেছে, আর বাকি ৪টির মধ্যে একটি আজ রোববার দুপুরে সমুদ্র থেকে প্রবেশের জন্য এখনো আছে। বাকিগুলি বর্তমানে বাংলাদেশের পথে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সূত্র জানায়, কাতার থেকে আসা ‘আল জোরা’ নামের ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন এলএনজি এবং ‘আল জাসাসিয়া’ নামে অন্য জাহাজে ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি চট্টগ্রামে নিরাপদে পৌঁছেছে। এছাড়াও, ওমানের সোহার বন্দরে থেকে আসা ‘জি-ওয়াইএমএন’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন এলপিজি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ‘বে-ইয়াসু’ নামে আরও ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) নিয়ে ইতিমধ্যে বন্দরে ভিড়েছে।

আজ রোববার বিকেল ২টায় ওমানের সোহার থেকে আমদানিকৃত ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে ‘এলপিজি সেভেন’ নামের এক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রক্রিয়াধীন থাকা অন্য তিনটি জাহাজ—‘লুসাইল’, ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’—পরবর্তী তারিখে যথাক্রমে ৯, ১১ ও ১৪ মার্চ বিপুল পরিমাণ এলএনজি নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। মূলত, এই আটটি জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার.cgপর পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাওয়ার আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছিল।

চট্টগ্রাম বন্দরের একজন কর্মকর্তা, সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, চলমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে জাহাজগুলোর গতিবিধি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আগে যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে, তাদের নির্ধারিত সময়েই বাংলাদেশের বন্দরে পৌঁছাচ্ছে। তবে, ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে শুরু হওয়া এই উত্তেজনা ও রাজনৈতিক চাপাব্যবহার দীর্ঘস্থায়ী হলে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে।

বর্তমানে পৌঁছানো এই জাহাজগুলো দেশের জ্বালানি ও গ্যাস সংকট সাময়িকভাবে কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন