প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি দাওয়াতের জন্য উপস্থিতদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আজকের এই ইফতার মাহফিলে আসার জন্য ধন্যবাদ। চলুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ নেই যে, আমাদের ভবিষ্যতের কাজগুলো হবে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। আসুন আমরা সকলে আল্লাহর কাছে রহমত ও বরকত কামনা করি, যেন আল্লাহ আমাদের এই দেশের মানুষদের জন্য কাজ করার তৌফিক ও ক্ষমতা দেন।”
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে বিরোধী দল সংসদের আমন্ত্রণে অংশ নেয়।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আজ নানা প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষা ও আশা নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে—বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি তাদের নজর। এই সময়টি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশের স্বাস্থ্যে এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “অতিবাহিত ত্যাগের মাধ্যমে আমরা আজকের এই গণতন্ত্রের সেই মজবুত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছি, যা নির্বাচনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে বা হয়েছে। এই ত্যাগের মাধ্যমে, লাখ লাখ মানুষের নির্যাতন ও অত্যাচার সয়ে আমরা আমাদের বাক-স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এজন্য আমরা প্রথমে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।”
উল্লেখ্য, ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এক টেবিলে বসেছিলেন। সেখানে ছিলেন বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের পাশাপাশি অন্যান্য অতিথিরা।
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মঈন খাঁন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ও অন্যান্য বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিবর্গ। এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সমাজকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।





