যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ রদবদলের অংশ হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি-কে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল এই পরিবর্তন আনেন তিনি, যার পেছনে ব্যক্তির কর্মদক্ষতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ কাজ করেছে বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা বিভাগেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে; প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আরও দুই উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জেফরি এপস্টেইন বিষয়ক নথি প্রকাশে বিলম্ব এবং তার মধ্যে থাকা গোপনীয়তা ও পরিচালনা নিয়ে ট্রাম্পের অসন্তোষ ছিল বড় কারণ। এর পাশাপাশি, তিনি সমালোচক ও প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায়ও রাগ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টোড ব্যালান্সকে সাময়িকভাবে বিচার বিভাগ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বন্ডিকে প্রশংসা করে বলেছেন, তিনি একজন ‘দেশপ্রেমিক’ ও ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’, তবে তার ভবিষ্যত দায়িত্বের বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। নিজেকে প্রকাশ করে, বন্ডি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে আরও নিরাপদ করতে পারা তাঁর জন্য জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান ছিল।’ তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তরের পরিকল্পনা করছেন। তার দায়িত্বকালে বিচার বিভাগের ঐতিহ্যগত স্বাধীনতা নিয়ে কিছু অভিযোগ ওঠেছে, বিশেষ করে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনা এবং গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে, সেনাবাহিনীর ট্রান্সফরমেশন ও ট্রেনিং কমান্ডের প্রধান ডেভিড হোডনি এবং চ্যাপলিন কোরের প্রধান উইলিয়াম গ্রিন জুনিয়র-ও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট ও স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস এই তথ্য প্রকাশ করেছে, তবে পেন্টাগন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।





