বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ-taking এ ঢাকায় পা রাখলেন যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, বিশেষ করে নতুন সরকারের গঠন পর্বে। আজ (সোমবার) থেকে তার এই আনুষ্ঠানিক সফর শুরু হবে, যা জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর এটাই তার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সফর, যার মাধ্যমে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, বিমান চলাচল ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সফরকালে ব্যারোনেস উইন্টারটন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন, যেখানে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো আলোচনা হবে। এছাড়া, তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। এর মূল লক্ষ্য হলো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ খুঁজে বের করা।
অতিঃসত্ত্বেও, এই সফরে তিনি কিছু রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন, যেগুলি যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিটিসিএস) আওতায় রয়েছে। এই স্কিমের মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্য শুল্কমুক্ত বাজারে রপ্তানি সম্ভব হয়, যা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশের বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য পাঠাতে পারছে এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে।
ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, “যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের মজবুত ও গভীর। আমরা নতুন কিছু সুযোগ খুঁজে বের করবো, যাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।” অন্যদিকে, বাংলাদেশের ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক মন্তব্য করেন, “এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি বাজার এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদার।”





