মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৬, ২৪শে চৈত্র, ১৪৩২

ইরানের হামলার পর ইসরায়েলি জনগণের উদ্বেগ ও পালানোর তৎপরতা

ফিলিস্তিনের ভূমিতে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসরায়েলের রাষ্ট্র। এই দখলদার রাষ্ট্রটি বারবার মুসলিম দেশগুলির সঙ্গে যুদ্ধ-সংঘাতে জড়িয়েছে, সেখানে জয়-পরাজয় যতই হোক না কেন, ভূমি ছাড়ার দৃশ্য বা নিজেদের মধ্যে বিভেদ দেখা যায়নি তেলআবিবের দ্বারে। তবে, ২০২৩ সালে হামাসের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণে ইহুদিদের মধ্যে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তাদের মনে ধীরেধীরে ধ্বংসের ভয় জমা হয়।

এরপর, টানা দুই বছর ধরে ইসরায়েলি সেনাদের দ্বারা চালানো নৃশংস ও ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়, যা প্রতিঘাতে ইহুদিদের ভিতকে দোল দেয়। এই পরিস্থিতিতে, ইরানের উপর চালানো হামলার কারণে ইসরায়েলি জনগণ বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানে যৌথ আক্রমণের প্রথম ধাপের ঘোষণা হয়, যা ইসরায়েলের নতুন চাপ যোগ করে। এই সংঘাতের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ইরানের; দেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা মৃত্যুবরণ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই সংঘাতের মধ্যে নিহতের সংখ্যা দুই হাজারের কাছাকাছি। পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে, কিন্তু ইরানিরা ধৈর্য্য হারায়নি। সাধারণ নাগরিকরা একাট্টা হয়ে উঠছেন, প্রতিবাদ করছে। মার্চের শেষদিকে মার্কিন বিমান হামলার পর সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে উপজাতি নারীদের বন্দুক হাতে মার্কিন পাইলট খুঁজে বেড়াতে দেখা যায়, যা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের দীর্ঘস্থায়ী বিরোধের প্রমাণ।

অপরদিকে, ইসরায়েলের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইরানের শাসন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে আগ্রাসন চালালেও, সেখানে সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরাল হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পদত্যাগ, যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে নানা বিক্ষোভ চলেছে, এবং সম্প্রতি শত শত ইসরায়েলি বাসিন্দা মুখোমুখি হয়েছেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রতিবাদে।

বিক্ষোভকারীরা বলেন,

পোস্টটি শেয়ার করুন