ইরান সম্প্রতি একটি মার্কিন সি-১৩০ বিমানকে ভূপাতিত করেছে। এই ঘটনা ঘটে ইরানের ইস্ফাহানে, যেখানে বিমানটি আকাশ থেকে মাটিতে নামিয়ে আনে পুলিশের বিশেষ কমান্ডো ইউনিট ফারাজ রেঞ্জার্স। জানুয়ারি ৫ এপ্রিল রবিবার, ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, এই বিমানটি ভূপাতিত হয়। তারা বলেছে, এই বিমানটি বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমান এফ-১৫ এর ক্রুকে উদ্ধার করার জন্য ইরানে প্রবেশ করেছিল; তখনই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এর আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল, রিস্কিউ অভিযানে ব্যবহৃত দুটি সামরিক বিমান ইরানে আটকা পড়ে এবং এগুলো যেন ইরানের হাতে না পড়ে, সেজন্য মার্কিন সেনারা এগুলোর ধ্বংস করে। এরপর আরও তিনটি বিমান নিয়ে যুদ্ধবিমান ও উদ্ধারকারীরা সফলভাবে উদ্ধার কাজ চালায়।
ইরানের অন্য একটি বার্তাসংস্থা, ফার্স নিউজ, জানিয়েছে যে, ভূপাতিত বিমানটি মূলত সি-১৩০ মডেলের এবং এটি রিফুয়েলিংয়ের কাজ করছিল। ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এই বিমানটি ইরানের পবিত্র ভূমিতে হামলাকারীদের জ্বালানি রিফুয়েলিংয়ে নিযুক্ত ছিল।’
অতীতে, এই ঘটনার সময় মার্কিন পাইলট এবং ক্রু সদস্যদের উদ্ধারকাজে আরও জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী একসঙ্গে ওই অভিযান চালাচ্ছিল, যার ফলে গেলে অন্তত পাঁচজন নিহত হন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই হামলাটি ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে কোহগিলুয়েহ ও বোয়ের-আহমদ প্রদেশের ‘ব্ল্যাক মাউন্টেন’ অঞ্চলে চালানো হয়। মূলত, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী নিখোঁজ পাইলটদের সন্ধান ও উদ্ধারের জন্য এই অভিযানে অংশ নেয়।
এদিকে, এই ঘটনার পর, ভূপাতিত সেই এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন যে, এই অভিযান চলাকালীন কোনো মার্কিন নাগরিক আহত বা নিহত হননি।





