জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি আমেরিকান দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা স্টুয়ার্ট জেমসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পথচলা, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। চিফ হুইপ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিরোধী দলকে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে বারবার বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, জয়লাভের পর বিরোধী দলের নেতাদের বাসায় গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং সংসদে আসনসমূহের আনুপাতিক পুনর্বণ্টনের জন্য সাংবিধানিক পরিবর্তনের বিষয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে। তিনি আরও বলেন, সংসদকে গণতন্ত্রের মূল কেন্দ্রে রূপান্তর করতে হলে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন আসতেই হবে, তবে সেটি সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে করার মানসিকতা রয়েছে। চিফ হুইপ মন্তব্য করেন, আমরা সংবিধান সংশোধনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত, কিন্তু এটি যেন জনগণের স্বার্থে এবং সবাইকে নিয়ে হয়। তিনি জানান, আমরা দুই তৃতীয়াংশ ভোটের সমর্থনে সংসদে আছি, তবে মতভেদ থাকলেও সবার মতামত নিয়ে সংবিধানের পরিবর্তনে সম্মত হতে চাই। বর্তমান সরকারের কাছে বাংলাদেশের সবকিছুর আগে আগে রয়েছে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এককথায় সেটি সম্পন্ন করতে চাই। সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে সবার সাথে আলোচনা চালিয়ে যেতে চাই। স্টুয়ার্ট জেমস বর্তমান সরকারের কৃষিঋণ মওকুফ, অর্থাৎ ১০ হাজার টাকায় বেশি ঋণ মু্ক্তিসহ বিভিন্ন জনবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এই উদ্যোগগুলো দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।





