সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। অধিকাংশ
শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় প্রধান সূচকগুলোর উত্থানের পাশাপাশি লেনদেনেও
উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) লেনদেনের শুরু থেকেই বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা
যায়। দিনের বিভিন্ন সময়ে দরবৃদ্ধি ও দরপতনের মধ্যে ভারসাম্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত
বাড়তি দামের শেয়ারই প্রাধান্য পায়।
দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ মোট ৩৯৩টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়। এর মধ্যে
২৭৫টির দাম বেড়েছে, ৭০টির কমেছে এবং ৪৮টির অপরিবর্তিত রয়েছে। বেশি সংখ্যক
প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার
১৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ডিএসই-৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৭১
পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪৬ পয়েন্টে উঠেছে। লেনদেনেও বড়
ধরনের অগ্রগতি দেখা গেছে। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৫৯৭ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট
লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২৬ কোটি টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ-এও সূচকের ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকলেও লেনদেনে কিছুটা
ধীরগতি দেখা গেছে। এ বাজারে সিএএসপিআই সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৯০ পয়েন্টে এবং
সিএসসিএক্স সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৮৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। দিন শেষে সিএসইতে
১৮৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮টির দাম বেড়েছে, ৭০টির
কমেছে এবং ২৫টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে লেনদেন মোট ২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, যা আগের
কার্যদিবসের ৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার তুলনায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা কম।





