দেশের স্বর্ণবাজারে মাত্র একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভরি স্বর্ণের দাম দেড় হাজার থেকে চার হাজারের বেশি টাকা কমে গেছে, যা বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন মূল্য ঘোষণা করে, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম হলো ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা আগের দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। অর্থাৎ, এক দিনে প্রায় চার হাজার টাকার বেশি মূল্য কমেছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্যও কমেছে। এর ফলে স্বর্ণের সাধারণ মূল্য নির্ধারণে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি এখন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা।
এছাড়াও, রুপার দামেও সাধারণত পতন এসেছে। ২২ ক্যারেট রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা।
বিশ্ববাজারের মূল্য ওঠানামার প্রভাব দেশীয় বাজারেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে দেশে স্বর্ণের ভরি সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ছুঁয়েছিল। তবে এখন বিশ্ববাজারে দর কমার প্রভাব পড়ে দেশের স্বর্ণের দামেও বড় সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।
বিশ্ববাজারের ক্রমবর্ধমান দর কোরোনার পরবর্তী সময়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। দেশের স্বর্ণবাজারে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রথমবারের মতো প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ টাকার উপরে ওঠে।





