শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২

এক বছরে সোনালি মুরগির দাম ৫২ শতাংশ বেড়েছে

সোনালি মুরগির দাম ঈদের পর গত ২০ দিনে কেজিতে প্রায় ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। পুরো বছর জুড়েই এর দাম বোঝার মতো পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে দাম বেড়েছে সাধারণত ৫২ শতাংশ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন খরচ এবং সরবরাহের সংকটের কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে। তবে খামারিরা দাবি করেন, বড় কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর কারসাজি, পাশাপাশি বাচ্চা ও ফিডের দামের ঊর্ধ্বগতির ফলে উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে সিন্ডিকেটের সুবিধা এবং পর্যাপ্ত তদারকির অভাব থাকায় দাম আর বাড়ছে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর তুলনায় বাজারে সোনালি মুরগির দাম ৫২ শতাংশ বেড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ।

খামারিরা বলছেন, বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কারসাজিতে উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হয়ে গেছে, এ কারণে সরবরাহে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ জানিয়েছেন, ফিডের দাম তিন থেকে ছয় মাসের ব্যবধানে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মতো বাড়ছে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, বড় বড় করপোরেট গ্রুপের হস্তক্ষেপে আমাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। এর ফলে সুষ্ঠু বাজার তৈরি না হওয়ায় খামার বন্ধের মুখে পড়ছি।

গত কয়েক দিনে খামারিরা থেকে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে সোনালি মুরগি কিনছেন খুচরা বিক্রেতারা। তাদের দাবি, পরিবহন ব্যয় ও চাহিদার অনুপাতে পণ্য না পাওয়ার কারণে এখন তারা ৪০০ টাকার বেশি মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বাজারে সোনালি মুরগির ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবং পর্যাপ্ত তদারকি না থাকাকেও দায়ী করছেন ক্রেতারা।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে স্বচ্ছতার অভাব এবং নজরদারির দুর্বলতা থাকায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন