শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয় অর্জন করেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৯ ভোট পেয়ে প্রথম স্থান দখল করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়ে পান ৪৭ হাজার ৫১ ভোট। এছাড়াও, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মাত্র ৪৮০ ভোট পেয়ে ভোটের জোড়া হারেছেন, এবং তার জমা তার জামানত বাতিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। কল্যাণ বিভাগীয় কেন্দ্রসহ মোট ১২৯টি কেন্দ্রের ফলাফল গণনা শেষে ধানের শীষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনপরবর্তী এই ফলাফলের জন্য সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চালানো হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু স্থানে জাল ভোটের ঘটনা ঘটেছে, জড়িতদের আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে মোট ৫০.৫২ শতাংশ ভোট পড়েছে।’ কিন্তু ভোটের সময় বান্দরবানের জামায়াত প্রার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন যে, নির্বাচনটি বেশ কিছু অনিয়মের মধ্য দিয়ে হয়েছে। বিকাল ৩টায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন এবং অভিযোগ করেন, তাদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বাইরে তাড়া করা হয়েছে, জাল ভোট দেওয়া হয়েছে এবং প্রকাশ্যে সিলমোহর মারার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন, তবে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবী করেন। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে ঐ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়। পরে আজকের এই উপনির্বাচনের মাধ্যমে ভোট কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।





