বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩

সময় টেলিভিশনের ১৬ বছরের পথচলা: সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার

সংবাদে গতি, নির্ভুলতা এবং বস্তুনিষ্ঠতার মাধ্যমে ১৫ বছর ধরে দেশের টেলিভিশন সাংবাদিকতার এক গৌরবময় যাত্রা করার পর, নতুন耀 ১৬ বছরে পা রাখল সময় টেলিভিশন। এই পরিপূর্ণ পথচলায় এটি দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হয়েছে, যেখানে সঠিক তথ্য উপস্থাপন এবং সত্যের অবিচলতা বজায় রাখার জন্য প্রবল প্রচেষ্টা চালানো হয়। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রেখে দর্শকের আস্থায় অটুট থাকতে চান তারা।

শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, এ প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবের আমেজে মুখর। অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন বেশ কিছু গণ্যমান্য অতিথি, যার মধ্যে ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি, জাতীয় সংসদের সরকারি দলের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম. ছালেহ (সালেহ শিবলী), ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকবৃন্দ, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক প্রতিনিধিরা, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ দিন সন্ধ্যায় অতিথিদের সঙ্গে কেক কাটা অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সময় টেলিভিশন দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নিজের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অবিচল থেকে জনগণের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষের সংবাদের সম্প্রচার করে যাচ্ছে। তারা আশা করেন, ভবিষ্যতেও এ প্রতিষ্ঠান সত্যের পথে অবিচল থাকবে এবং জনগণের আস্থার জায়গা হিসেবে ভাবমূর্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বিগত ১৫ বছর একটি গৌরবময় অধ্যায়। আজ ১৬ বছরের পথচলায় সময় টেলিভিশন অনন্য রূপে বিকাশ লাভ করেছে, যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’

নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেন, ‘সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রমে সময় টিভি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘সময় টেলিভিশন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভকামনা রইল।’

অন্য অতিথিরা বলেন, ১৬ বছরে পা রাখা এই টেলিভিশন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। তারা আশা ব্যক্ত করেন, তথ্যের সত্যতা ও সংবাদে সততার ভিত্তিতে এটি আগামীতেও জনগণের আস্থা ধরে রাখবে।

প্রেস সচিব বলেন, ‘সরকারের জবাবদিহিতা ও গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার জন্য সময় টেলিভিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি ভবিষ্যতেও এটি একই পথে অটুট থাকবে।’

ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তরুণ, উদ্ভাবনী টিমের মাধ্যমে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় আরও এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে এই টেলিভিশনের। ভবিষ্যতেও দর্শক, কলাকুশলী ও শুভানুধ্যায়ীরা এ প্রত্যাশায় রয়েছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন