চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এর প্রাঙ্গণে এক সৌজন্য সফরে উপস্থিত হন বাংলাদেশের আতিথেয়তায় নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন। গত রবিবার এই বিশেষ সভাটি আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে তিনি বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের উন্নয়নে ভারতের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময়ের উপর গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সিএসইর চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা—মেজর (অব.) এমদদুল ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী ও নাজনীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। সভার এক পর্যায়ে, সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদন প্রকাশ করেন, যাতে তিনি বাজারের বহুমুখীকরণ এবং বিশেষ করে ডেরিভেটিভস মার্কেট ও মাল্টি অ্যাসেট ক্লাস এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠায় ভারতের সফল কৌশলগুলো ব্যবহার করার প্রস্তাব দেন। তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ভারতীয় বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারদের উদার আহ্বান জানান।
প্রতিনিধি দলের প্রধান ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, ‘ভারতীয় পুঁজিবাজারের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিতে আগ্রহী। যৌথ কারিগরি সেশন ও জ্ঞান আদান-প্রদান প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ, বিশেষ করে কমোডিটি ডেরিভেটিভস ক্ষেত্রে, ভারতের সফলতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের আর্থিক খাতকে উন্নত করতে পারে।’
তিনি আরো বলেন যে, ‘মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া (এমসিএক্স) এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (এসইবিআই) এর সফল মডেলটি হয়তো সিএসইর জন্য একটি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করতে পারে।’ রঞ্জন আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত বাংলাদেশকে শুধু একটি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে নয়, বরং একান্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবেও দেখে, এবং ভবিষ্যতে এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর হবে।
সিএসইর চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান তাঁর গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের আর্থিক খাতের এই সংযুক্তিকে আরও সুসংহত করে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই সংবাদটি এক গণমাধ্যম বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছে।





