জাতিসংঘ ইরানের যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক খরচের কাণ্ডে গভীর সমালোচনা করেছে। সংস্থার মানবিক সহায়তা বিভাগের প্রধান টম ফ্লেচার বলেছেন, এই যুদ্ধের জন্য প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়, যা দ্বারা অল্প সময়ে বিশ্বের ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষের জরুরি জীবন রক্ষা সম্ভব ছিল। এনার ভাষ্য, দুনিয়ার অনেকের প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থশক্তি অনেক বেশি; এর মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধে ব্যয় কমিয়ে সেই অর্থ দিয়ে মানবিক ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা ও সহায়তা বৃদ্ধি করা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, সংস্থার প্রত্যাশিত বার্ষিক বাজেট হচ্ছে ২৩ বিলিয়ন ডলার, যার মাধ্যমে এই সংখ্যা মানুষকে সহায়তা দেয়া সম্ভব। তবে, মাত্র ১২ দিনের ইরান যুদ্ধের খরচেই এত বিশাল তহবিল সংগ্রহ সম্ভব ছিল, যা দরিদ্র দেশগুলোর উন্নয়নে কাজে লাগানো যেত।
তিনি আরও বললেন, এই যুদ্ধের প্রতিদিন প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার অপচয় হয়। বর্তমানে তার সংস্থার বাজেটের ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ঘাটতি রয়েছে। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি পণ্যসমূহের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে সাব-সহারা ও পূর্ব আফ্রিকার দরিদ্র দেশগুলোতে।
ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা
ফ্লেচার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানকে বোমা মেরে পাথর যুগে ফিরিয়ে দেয়ার মতো কথার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের উগ্র ভাষা সাধারণীকরণের চেয়ে বিপজ্জনক। এটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে, বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালাতে বিশ্বের স্বৈরাচারী শাসকদের উস্কানি দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে রাষ্ট্রনীতির পরিবর্তে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও





