সোমবার, ১১ই মে, ২০২৬, ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩

দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত

করতে থাকলে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্ক কখনোই গড়ে ওঠে না। দিল্লিকে

অবশ্যই এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়ে

তুলতে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।

রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল ২০২৬

এ বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

রিজভী বলেন, এত সুন্দর বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক, অনেকেই বলেন, ‘অত্যন্ত

চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান ঢাকা-দিল্লির’। তারপরেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে

দুইজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এগুলো কিসের আলামত? এটা তো পৃথিবী, এটা তো

বাংলাদেশ। আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা

নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ তারা নিজেদের ভাগ্য

নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকবো একটি সৎ

প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। তাই জনসমাজের প্রতিটি পেশার

মানুষ, যাদের উন্নয়ন ও উৎপাদনে অবদান রয়েছে, তাদের স্বার্থ রক্ষা করেই সরকার

কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ বিষয়ে কোনো ব্যত্যয়ের সুযোগ নেই। যদি এটি স্বৈরাচারী,

ফ্যাসিস্ট কিংবা বিনা ভোটের অগণতান্ত্রিক সরকার হতো, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে

পারত।

রিজভী বলেন, প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর পর দেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও জনগণের ভোটে

নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি, সংগ্রাম, রাজপথের

আন্দোলন, নিপীড়ন-নির্যাতন, গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মতো নির্মম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে

যেতে হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই সংগ্রাম চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করেছে। তাই

এই সরকার সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পোস্টটি শেয়ার করুন