মঙ্গলবার, ১২ই মে, ২০২৬, ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩

মাদ্রাসা ছাত্রীর গেমিং আসক্তি নিয়ে দেশের প্রথম মাইক্রো ড্রামা সিরিজ

বাংলাদেশের বিনোদন জগতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে প্রথম মাইক্রো ড্রামা সিরিজ

হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘সিলভার সাদিয়া’। সম্প্রতি সিনেমাওয়ালার অফিশিয়াল

ফেসবুক পেজে সিরিজটির ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ

তৈরি হয়েছে। মিরাজ হোসেনের পরিচালনায় এবং মায়ের দোয়া স্টুডিওসের প্রযোজনায়

নির্মিত এই সিরিজটি মূলত আধুনিক দর্শকদের দ্রুত পরিবর্তনশীল রুচি এবং সময়স্বল্পতার

কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এটি অ্যাডকম লিমিটেডের একটি ৩৬০° ফুল-সার্ভিস

কনটেন্ট-ড্রিভেন প্রজেক্ট হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

‘সিলভার সাদিয়া’ সিরিজের গল্পের মূল আকর্ষণ হলো এর ব্যতিক্রমী কাহিনী। এতে উঠে

এসেছে একটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মাদ্রাসা পড়ুয়া এক তরুণীর জীবন সংগ্রাম।

পর্দার আড়ালে সেই তরুণীর গেমিংয়ের প্রতি এক প্রবল ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে। পরিবারের

রক্ষণশীলতার মধ্যে মায়ের নীরব সমর্থনে সে গোপনে ইউটিউবে লাইভস্ট্রিমিং শুরু করে এবং

ধীরে ধীরে নিজের একটি শক্তিশালী দর্শকগোষ্ঠী তৈরি করে ফেলে। তবে গল্পের নাটকীয়তা

তৈরি হয় যখন তার এই গোপন প্রতিভার কথা বাবার সামনে প্রকাশ পায়। পরিবার, সম্পর্কের

টানাপোড়েন আর নিজের স্বপ্ন পূরণের লড়াই ঘিরেই এই সিরিজের মূল প্রেক্ষাপট।

সিরিজটি অভিনব এক ফরম্যাটে দর্শকদের সামনে আসবে। এতে মোট ১৫টি পর্ব রয়েছে এবং

প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য মাত্র তিন মিনিট। নির্মাতা মিরাজ হোসেনের মতে, ছোট পরিসরে

বড় গল্প বলার এই প্রয়াস দর্শকদের বর্তমান সময়ের অভ্যাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই

সিরিজে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। তার

পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে অ্যালেন শুভ্র, ফারজানা ছবি ও

কামরুজ্জামান তপুর মতো পরিচিত মুখদের। এছাড়া জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান দ্য

ছোট ভাই একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের বাড়তি চমক দেবেন।

প্রজেক্টটি নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান বলেন যে, তিন

মিনিটের ছোট ছোট পর্বে চমৎকার সব দৃশ্য ফুটিয়ে তোলার অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। এই

সৃজনশীল উদ্যোগটি দর্শকদের ভিন্নধর্মী বিনোদন দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। সিরিজটির

প্রযোজক নাজিম ফারহান চৌধুরী এবং সহপ্রযোজক ও ক্রিয়েটর পুলক অনিল এই প্রজেক্টের

পেছনে কাজ করেছেন। সামাজিক ও পারিবারিক প্রেক্ষাপটে একজন তরুণীর পরিচয় খুঁজে পাওয়ার

এই গল্পটি দেশের ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে একটি নতুন ধারা তৈরি করবে বলে মনে করছেন

সংশ্লিষ্টরা।

পোস্টটি শেয়ার করুন