, ,

চতুর্থ সিজন নিয়ে ফিরছে ‘কোক স্টুডিও বাংলা’

দেশের জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী মিউজিক প্ল্যাটফর্ম ‘কোক স্টুডিও বাংলা’ আবারও নতুন চমক

নিয়ে সংগীতপ্রেমীদের মাঝে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যেই এর চতুর্থ সিজনের কাজ

অত্যন্ত গোপনীয়তা ও বিশেষ পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি

নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, নতুন এই সিজনের জন্য প্রথম গানের দৃশ্যধারণ বা

শুটিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নতুন গান আসার খবরে শ্রোতাদের

মধ্যে বিপুল উৎসাহ ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নতুন সিজন নিয়ে

আলোচনার পালে হাওয়া লেগেছে। ছবিতে কোক স্টুডিওর সেই চেনা ও দৃষ্টিনন্দন সেটে

দাঁড়িয়ে দুইজন শিল্পীকে গান পরিবেশন করতে দেখা গেছে। তবে দর্শকদের চমকে দেওয়ার জন্য

ওই দুই শিল্পীর পরিচয় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। জানা গেছে, গত

১৪ ও ১৫ মে রাজধানী ঢাকার একটি লোকেশনে এই বিশেষ গানটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে এবং

পর্যায়ক্রমে অন্যান্য গানগুলোর চিত্রায়ণের কাজও শুরু হবে।

নতুন এই সিজনে কোন কোন জনপ্রিয় শিল্পী কণ্ঠ দেবেন কিংবা প্রথম গানটি ঠিক কবে নাগাদ

মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে আয়োজকরা এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে আগ্রহী নন। আয়োজক

কর্তৃপক্ষের মতে, সব ধরণের কারিগরি কাজ শেষ করার পর খুব দ্রুতই এক আনুষ্ঠানিক

ঘোষণার মাধ্যমে বিস্তারিত সময়সূচি ও শিল্পীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য,

২০২৪ সালের এপ্রিলে কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজন শুরু হয়েছিল এবং এরপর ২০২৫ সালের

আগস্টেও তারা নতুন কিছু পরিবেশনা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছিল।

২০২২ সালে বাংলাদেশে যাত্রা করার পর থেকেই এই প্ল্যাটফর্মটি দেশীয় লোকগান ও আধুনিক

সুরের এক অনন্য মেলবন্ধন তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রথম তিনটি সিজনেই

মিউজিক কিউরেটর বা প্রধান সংগীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জনপ্রিয় শিল্পী

শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তাঁর সুনিপুণ সংগীতে কালজয়ী সব গান নতুন প্রজন্মের কাছে এক

ভিন্ন আবেদন নিয়ে পৌঁছেছে। চতুর্থ সিজনেও এমন কিছু ফিউশন ও সৃজনশীল কাজের প্রত্যাশা

করছেন সংগীতবোদ্ধারা, যা দেশের সংগীত জগতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বর্তমানে ওটিটি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে কোক স্টুডিও বাংলার বিশাল একটি

দর্শকগোষ্ঠী রয়েছে। তাই নতুন সিজন ঘিরে প্রত্যাশার পারদও বেশ আকাশচুম্বী। লোকজ

ঐতিহ্যের সাথে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের শৈল্পিক প্রয়োগ এই সিজনেও বজায় থাকবে বলে ধারণা

করা হচ্ছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা, যা সংগীত জগতের এই অন্যতম বড়

উৎসবের পর্দা উন্মোচন করবে। শ্রোতারা অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন তাঁদের প্রিয়

শিল্পীদের নতুন গানগুলো শোনার জন্য।

পোস্টটি শেয়ার করুন