ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে আয়োজিত হতে যাওয়া আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-কে
সামনে রেখে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দিয়েছে ঢাকাস্থ
ব্রিটিশ হাইকমিশন। আগামী ২৪ মে রাতে বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার প্রাক্কালে
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ব্রিটিশ হাইকমিশনার
সারাহ কুকের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নারী দলের সদস্য
ও কোচিং স্টাফ, বিসিবির পরিচালকবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানসহ
বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে সারাহ কুক দুই দেশের বন্ধুত্বের ভিত্তি হিসেবে ক্রিকেটকে উল্লেখ করে
বলেন, ‘ক্রিকেট বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা এবং এটি দুই দেশের
মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে।’ তিনি টাইগ্রেসদের প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থনের
কথা জানিয়ে হাস্যরসে মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশ ভিন্ন গ্রুপে থাকায় স্বাগতিক
ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের পাশাপাশি লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের সমর্থন করতে তাঁর কোনো
বাধা নেই। তাঁর এই আন্তরিক মন্তব্যে উপস্থিত সুধীবৃন্দ করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান।
বিসিবির নারী উইংয়ের প্রধান রাশনা ইমাম ব্রিটিশ হাইকমিশনের এই মহতী উদ্যোগের
প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের সংগ্রামী জীবন দেশের সকল নারীর
জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি
হাইকমিশনারের হাতে বাংলাদেশ দলের জার্সি এবং বিসিবি পরিচালক সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ
একটি বিশেষ স্মারক তুলে দেন। জাইমা রহমানও এই সংবর্ধনায় অংশ নিয়ে নারী ক্রিকেটারদের
সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। বগুড়ার এক ক্রিকেটারের
সাথে আলাপকালে তিনি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের সংস্কারের বিষয়টিও আলোচনায় আনেন।
অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ব্রিটিশ দূতাবাসের এই আয়োজনকে অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক
হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘যে দেশে খেলতে যাব, সেই দেশের দূতাবাস থেকে এমন
আয়োজন সত্যিই অনুপ্রেরণার। আমরা বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করতে চাই।’ এই
আনন্দঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে নারী ক্রিকেটারদের মনোবল আরও চাঙ্গা হয়েছে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা।





