দেশে বেকারত্ব দূরীকরণ ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে বর্তমানে বিনা সুদে কোনো ঋণ
প্রকল্প না থাকলেও সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আওতায়
নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা
মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন। পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও
৫ হাজার টাকা ভাতা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য
জনাব মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির
খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এদিন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংসদকে অর্থমন্ত্রী বলেন, যুব সমাজকে আত্মনির্ভরশীল করতে এবং নতুন উদ্যোক্তা
সৃষ্টিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং
কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে যুব ঋণ বিতরণ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান
রয়েছে। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’
এবং অর্থ বিভাগের বিভিন্ন তহবিলের মাধ্যমে দেশব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের
জন্য কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বাজেট বরাদ্দের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের
সংশোধিত বাজেটে ‘স্টার্টআপ তহবিল’ খাতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭
অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্টার্টআপ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির জন্য এই
বরাদ্দ দ্বিগুণ বাড়িয়ে মোট ৪০০ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার সারাদেশে
ক্রমান্বয়ে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। নিম্ন ও পিছিয়ে পড়া
জনগোষ্ঠীর জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা
ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতাসহ চলমান সকল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা ও বরাদ্দ
আগামী অর্থবছরে আরও সম্প্রসারণের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।





