সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর বিপরীতমুখী ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকো

শেয়ারবাজারের দুই আলোচিত প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বেক্সিমকো

লিমিটেডের শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর ভিন্নধর্মী প্রবণতা লক্ষ্য করা

গেছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘ সময় পর

সম্পূর্ণ ফ্লোর মুক্ত হলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে কোম্পানি

দুটির শেয়ারের মুভমেন্ট ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী।

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিন উভয় কোম্পানিতেই ক্রেতা সংকট দেখা দিলেও

আজ দুপুরে চিত্রটি পাল্টে যায়। ইসলামী ব্যাংক ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রাথমিক ধাক্কা

সামলে বিনিয়োগকারীদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা যায়,

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে প্রচুর ক্রয় আদেশ থাকলেও বিক্রেতার সংখ্যা ছিল শূন্য। ফলে

কোম্পানিটির শেয়ারদর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা অর্থাৎ প্রায় ১০ শতাংশ বা ২

টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে ৩২ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। হল্টেড হওয়ার আগে কোম্পানিটির প্রায় ৮৫

লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

অন্যদিকে, বেক্সিমকো লিমিটেডের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। ফ্লোর পরবর্তী সময়ে

শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আজ দুপুরে দেখা

গেছে, বেক্সিমকোর শেয়ারে বিপুল পরিমাণ বিক্রয় আদেশ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি ছিল না

বললেই চলে। এর ফলে কোম্পানিটির শেয়ারদর সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন সীমা বা ১০

শতাংশ (৮ টাকা) কমে ৭২ টাকা ৩০ পয়সায় অবস্থান নেয়। লেনদেনের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত

নগণ্য, মাত্র ৫৭ বারে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের পুনরায় ফিরে আসা

বাজারের জন্য ইতিবাচক সংকেত হলেও বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে ফ্লোর পরবর্তী দরপতন

বিনিয়োগকারীদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সকল

কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় বাজার তার স্বাভাবিক গতি ফিরে পাবে বলে সাধারণ

বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন